আইপিএল ২০২০ এর টাইটেল স্পনসর ড্রিম ইলেভেন

আইপিএল ২০২০ এর টাইটেল স্পনসর ড্রিম ইলেভেন

চিনের সাথে বৈদেশিক সম্পর্কের অবনতি হবার জন্য, অনেক বিতর্কের পর আইপিএল থেকে চিনা স্পনসর ভিভোকে বিদায় নিতে হয়েছে। তার জায়গায় এ বছরের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের টাইটেল স্পনসরের জন্য ড্রিম ইলেভেন এর সঙ্গে চুক্তি করছে বিসিসিআই। 

আইপিএলের চেয়ারম্যান মিঃ ব্রিজেশ প্যাটেল, ড্রিম ১১ কে আইপিএল ২০২০ এর টাইটেল স্পনসর হবার জন্য স্বাগত জানিয়েছেন। এর সাথেই ক্রিকেট মহলে ও বোর্ডের অন্দরমহলে চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে নতুন এই ফ্যান্টাসি গেমিংয়ের সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধা ঠিক হচ্ছে কিনা তা নিয়ে। বিতর্ক উঠেছে এই সংস্থার মধ্যে চিনা সংস্থার অংশীদারিত্ব থাকার খবর নিয়েও।

বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে এ নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে চিঠিও পাঠিয়েছে কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স (সিএআইটি)। যদিও ভারতীয় বোর্ড এ দিন ই-মেল পাঠিয়ে তাদের ভারতীয় সংস্থা বলেই উল্লেখ করেছে।

এ বছরের জন্য ড্রিম ইলেভেন দিচ্ছে ২২২ কোটি টাকা যেখানে চিনা সংস্থা ভিভো দিচ্ছিল বছরে ৪৪০ কোটি। অবশ্য এ বারের স্পনসস মাত্র চার মাসের জন্য। ৩১ ডিসেম্বর তাদের সঙ্গে এই চুক্তি শেষ হয়ে যাচ্ছে। আইপিএল নিলামও তারা পাচ্ছে না। তাই ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে রাতারাতি এই চুক্তিতে আর্থিক ক্ষতি নয়, বরং লাভই করছে বোর্ড। 

সেই সাথে বোর্ডের কাছে ড্রিম ১১ প্রস্তাব দেয়, এ বছরের চুক্তির পাশাপাশি পরের দু’বছরের স্পনসর হওয়ার ব্যাপারেও তাদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হোক।

কিন্তু বোর্ড মনে করছে, সামনের বছরে পুরনো পরিস্থিতি ফিরতে পারে এবং তখন আইপিএলের টাইটেল স্পনসরশিপের মূল্য আবার আগের মতোই বছরে সাড়ে চারশো কোটির আশেপাশে হবে। এতিমধ্যে শোনা যাচ্ছে, চিনা সংস্থা তিন বছরের নতুন চুক্তির জন্য মোট ১৪০০ কোটি টাকার প্রস্তাব দিয়েছে। সেই তুলনায় এ বছরের জন্য আসা সংস্থার চুক্তির টাকার পরিমান কম। 

এক বোর্ড কর্তার কথায়, ‘‘এই কোভিড মহামারীর পরিস্থিতিতে দীর্ঘমেয়াদি নতুন চুক্তি করাটা বুদ্ধিমানের কাজ হত না। আর লোকসান করে আইপিএলের স্পনসর কেন আনা হবে?’’ যদি চিনা পণ্য বর্জন নীতি শিথিল হয় তাহলে কী হবে, সেই প্রশ্নও থাকছে। কর্তা টি আর বলেছেন , ‘‘বোর্ড কেন বছরে ৪৪০ কোটির জায়গায় ২২০ কোটিতে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করতে যাবে? কোন তাড়াহুড়ো তো নেই।’’ 

নিজস্ব প্রতিনিধি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *