দেবদারু বনের আনাচে কানাচে

দেবদারু বনের আনাচে কানাচে

একটু একটু করে আবার ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে আমাদের পৃথিবী। দীর্ঘ সময় ধরে এ মহাসঙ্কট থেকে মুক্তির অপেক্ষা করতে করতে আমরা সকলেই আজ ক্লান্ত, অবসন্ন! বাইরের মুক্ত পৃথিবীটাতে গিয়ে কবে আবার প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নেব সেই অপেক্ষায় দিন গুনছি সবাই। এবার আর না বেরোলেই নয়! নিস্তেজ মনটা একটু খোলা হাওয়ার জন্য আকুলি বিকুলি করছে যে! একছুটে চলে যেতে চাইছে কোনও এক বিজন পাহাড়ের প্রান্তে যেখানে সঙ্গী বলতে থাকবে শুধু নীল আকাশে মুখ তুলে দাঁড়িয়ে থাকা সারি সারি দেবদারু গাছ; শব্দ বলতে পাতার ফাঁক দিয়ে বয়ে যাওয়া শনশন বাতাসের মিহি বাঁশির সুরের সঙ্গতে পাখিদের মিষ্টি কলরব; আর অনুভূতি বলতে নৈঃশব্দে মোড়া নিসর্গের মাঝে নিজেকে খুঁজে পাওয়া। ভাবছেন দিবাস্বপ্ন দেখছি! একদমই নয়। আর সেটা কোনও অচিনপুরের দেশও নয়! দেরাদুন থেকে উত্তর-পশ্চিমে মাত্র ৮৮ কিলোমিটার দূরে যমুনা ও তার প্রধান উপনদী টনস্-এর মাঝে সবুজে ছাওয়া নিরিবিলি এক শৈলশহর, নাম চক্রাতা। নভেম্বরের শুরুতেই বেশ জোরালো শীতের আমেজ। দুপর নাগাদ দেরাদুন থেকে বেরিয়ে ডাকপাথার, কলসি হয়ে বাস যখন চক্রাতা বাজারে এসে থামল, বিকেলের সূর্য ততক্ষণে পশ্চিম পাহাড়কে রাঙিয়ে সেদিনের মতো বিদায় নিয়েছে। চক্রাতায় বাজার বলতে একটি সরু খাড়া রাস্তার দুপাশে কিছু দোকান, বাড়ি ও গুটিকয় হোটেল। পৌঁছেই পায়ে হেঁটে বেরিয়ে পড়লাম। ইতিহাস বলছে, মহাভারতের বকরাক্ষসের একচক্রা নগরীই আজকের চক্রাতা।  আর ব্রিটিশেরা এখানে স্থাপন করেছিল তাদের ক্যান্টনমেন্ট । আজও চক্রাতা সামরিক বাহিনীর তত্ত্বাবধানে; নিয়মশৃঙ্খলা অবশ্যই আছে, তবে কড়াকড়ি শাসনের বাড়াবাড়িটা নেই। নীচের রাস্তায় ব্রিটিশ আমলের গড়া পুরোনো নানান অট্টালিকা। সন্ধ্যে হয়ে গেছে। যে হোটেলে উঠেছি, সেখানে আগেই বলে দিয়েছে সাড়ে আটটার মধ্যেই যেন ফিরে আসি, নাহলে রাতের খাবার পাওয়া যাবে না! তাড়াতাড়ি পা চালালাম। হাঁটতে হাঁটতেই বুঝতে পারলাম খুব ভুল বলেনি হোটেলের ছেলেটি। আটটা প্রায় বাজে। রাস্তাঘাট এর মধ্যেই ফাঁকা! দোকানগুলোও কিছুক্ষণের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যাবে। চক্রাতায় জনবসতিও কম, পর্যটকও সীমিত। আর সামরিক শৃঙ্খলার একটা প্রভাবও আছে এখানে … ফলে ‘Eearly to bed and early to rise’ … এটাই নিয়ম এখানের।

চিলমিরি নেক ভিউ পয়েন্ট

২১১৮ মিটার উচ্চতার চক্রাতায় ভিউ পয়েন্ট আছে বেশ কয়েকটা। পরদিন রাত থাকতে থাকতেই বেরিয়ে পড়লাম সূর্যোদয় দেখব বলে। খারাম্বা চূড়ো হয়ে পৌঁছলাম চিলমিরি নেক ভিউপয়েন্টে। শেষ খানিকটা পথ হাঁটতে হয় এখানে। দু’ধারে ঘন দেবদারু গাছের মাঝে বাঁকানো সরু মসৃণ রাস্তটাকে দেখে কারুর হয়ত মরাল গ্রীবার কথা মনে পড়েছিল, তাই এমন নাম। ভোর রাতে নভেম্বর মাসের শিরশিরে ঠাণ্ডায় দু’কিলোমিটার দূরের চিলমিরি নেক ভিউপয়েন্টে যখন পৌঁছালাম, পূব আকাশের জমাটবাঁধা অন্ধকারের মাঝে রক্তিম ছটা তখন সদ্য জাগতে শুরু করেছে। সেই আধো-অন্ধকারে নিবাত নিষ্কম্প শিখার মতো মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে উত্তরাখণ্ড ও হিমাচলের অসংখ্য সব শৃঙ্গ। পলকহীন তাকিয়ে থাকি! দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নন্দাদেবীর কোল ঘেঁষে উদিত হলেন দিনমণি। সোনার কাঠি ছুঁইয়ে তিনি ঘুম ভাঙ্গালেন একের পর এক সব কটি তুষারশৃঙ্গের । আলোর প্রথম পরশের রক্তিম রঙ গায়ে মেখে পর্বতেরা আরও একটি নতুন দিনের জয়যাত্রা ঘোষণা করল। নীল আকাশের গায়ে আবির মাখা বরফশৃঙ্গগুলোকে দেখে রওনা দিলাম ১৩ কিলোমিটার দূরের দেওবনের উদ্দেশে।

চক্রাতায় সূর্যোদয়
চক্রাতায় সূর্যোদয়

দেও অর্থাৎ দেওদার, আর বন হল জঙ্গল। চক্রাতা থেকে গাড়ীর রাস্তা আছে দেওবনের বনদপ্তরের বাংলো পর্যন্ত। তারপর এক কিলোমিটার হেঁটে দেওবনের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়, ৩০০০ মিটার উচ্চতার ব্যাস শিখরে উঠতে হয়। শীতে গোটা অঞ্চলটাই ঢাকা পড়ে পুরু বরফের চাদরে। তখন আর গাড়ি চলে না! সেইসময় চক্রাতা থেকে দেবদারুর ঘন জঙ্গলের পথে ট্রেক করে দেওবন আসাটা একটা দারুণ আ্যাডভেঞ্চার ট্রেকারদের কাছে। আমরা গাড়িতেই রওনা হলাম। পাঁচ ছ’কিলোমিটার যাওয়ার পরই রাস্তার পিচ বেমালুম উধাও! বড় বড় পাথরের উপর দিয়ে গাড়ি যেন নৌকার মতো দুলতে দুলতে চলেছে! উচ্চতা ক্রমশ বাড়ছে। গাড়ি বনবাংলোর সামনে এসে থামতেই দেখি সামনে দুটো বনশিয়াল। তাড়াতাড়ি ব্যাগ হাতড়ে ক্যামেরা বের করি। কিন্তু তার আগেই মনুষ্য প্রজাতির আগমনে ‘বিরক্তি’ জানিয়ে জঙ্গলের গভীরে সরে পড়েছে তারা! যাক, নাই হল তার ছবি, একটিবারের জন্য চারিচক্ষুর মিলন ত হল! ড্রাইভারের কাছে জানা গেল এখানে নাকি চিতাও আছে! তবে দিনের আলোয় তারা জঙ্গলের বাইরে বেরোয় না। ব্যাস শিখরে উঠতে চড়াই আদৌ বেশি নয়, কিন্তু পথ ঘন জঙ্গলের ভিতর দিয়ে এবং দেওবন এখনো প্রায় পর্যটকহীন বলে পায়ে চলা পথের নিশানাটুকুও নেই! গাইড সঙ্গে নেওয়াটা তাই বাধ্যতামূলক। আমাদের গাড়ীর ড্রাইভারই চললেন আমাদের পথপ্রদর্শক হয়ে। ব্যাস টপে পৌঁছতেই সবুজ বনানীর ফাঁকে ফাঁকে পূব থেকে পশ্চিমে ত্রিশূল, দ্রোণাগিরি, নন্দাদেবী, চৌখাম্বা, কেদারনাথ, গঙ্গোত্রী, বন্দরপুঞ্ছ, স্বর্গারোহিণী, শ্রীখণ্ড মহাদেব ও আরো কত নাম না জানা পর্বতশৃঙ্গের জ্যোতির্ময় উপস্থিতি। ঠিক যেন গাঢ় সবুজের সাজে মাথায় হিরের মুকুট পরে সহাস্য আননে বনদেবী দাঁড়িয়ে আছেন দশদিক আলো করে। বিজন এই বনের কিনারায় দাঁড়িয়ে উন্মুক্ত উদার হিমালয় দেখতে দেখতে কখন যেন নিজের সাথেও খুব নিবিড় করে দেখা হয়ে গেল!

বেলা বেশ বেড়েছে। পাহাড় চূড়োগুলোর মাথায় শুরু হয়েছে মেঘেদের আনাগোনা। গাড়ি ফিরে চলেছে চক্রাতার দিকে। বেশ ক্ষিদে পেয়েছে এবার। আমাদের গাড়ীর ড্রাইভার দীনেশের কাছে জানা গেল একটি পাঞ্জাবী ধাবার খাবারই এখানে সর্বৎকৃষ্ট! হোটেলটি ছোট, কিন্তু দীনেশের কথা সর্বাংশে সত্যি। পাঞ্জাবী চিকেন কারী, তন্দুরী রুটি, রায়তা, স্যালাড ও একবাটি জমানো ক্ষীর চেটেপুটে খেয়ে আমাদের রসনা তৃপ্তি হল।

এরপর ২০ কিলোমিটার দূরের টাইগার ফলস্। চক্রাতা থেকে ঢালু পথ নেমে গিয়েছে দেবদারু, পাইন, ওক আর আখরোট গাছের ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে। শেষ খানিকটা পথ এখানেও হেঁটে যেতে হয়।আখরোট কুড়োতে কুড়োতে চললাম। একটি কাঠের পুল পার হয়ে ঘন সবুজ বনবীথিকার ভিতর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতেই ঝর্ণার জোরালো আওয়াজ কানে এল। এক নিরালা কোণে ৩১০ ফুট উচ্চতা থেকে অজস্র জলকণার ধূম্রজাল ছড়িয়ে একেবারে সোজা নেমে আসছে অনিন্দ্যকান্তি এই ঝর্ণা। ঝর্ণা আমি আগেও অনেক দেখেছি। কিন্তু টাইগার ফলসের তুলনা মেলা ভার! অজস্র জলরাশির অত্যন্ত বেগবান এই ঝর্ণার এমন একটা বন্য সৌন্দর্য আছে যে দেখে মনে হয় টাইগার নাম সার্থক। অনেকদূর অবধি জলকনার ছিটে উড়ে এসে পড়ছে। ছবি তুলতে সামনে এগোতেই একেবারে ভিজে একসা! ভাগ্যিস ক্যামেরার লেন্সে ওয়াটার গার্ড লাগিয়ে এনেছিলাম; নাহলে একটাও ছবি হতো না ভিজে ক্যামেরায় তুলে!

তৃতীয় দিন সকালে পাড়ি দিলাম মহাকালচক্রের পথে যেখানে পাপ, পূণ্য, চক্রান্ত, হিতৈষণা সবকিছু লক্ষযুগ অতিক্রম করে আজও গুহার আঁধারে স্থির হয়ে আছে। চক্রাতা থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে মুসৌরি-যমুনোত্রী রোড ধরে গিয়ে সেই গৃহদাহের স্থান মহাভারতের জতুগৃহ। যমুনার ব্রিজ পার করে পাইন, দেওদারের গাছে ছাওয়া পাহাড়ী পথ বেয়ে ঘণ্টা দু’য়েকের মধ্যেই গাড়ী এসে পৌঁছল লাখামণ্ডলে। নীচ দিয়ে বয়ে চলেছে বার্ণি নদী। নদীর পুল পার হতেই  সামনে এক পাহাড়ী গুহা। হস্তিনাপুরের মহামন্ত্রী বিদুরের হিতৈষণায় নির্মিত পাণ্ডবদের মহানিষ্ক্রমণের পথ। লোকে বলে পাণ্ডব গুহা। ভিতরে এখন আলোর ব্যবস্থা হয়েছে। সুরঙ্গের দেওয়ালগুলোতে এখনও যেন জলন্ত লাক্ষার প্রলেপ রয়েছে! ভূতাত্ত্বিকদের মতে নদীর জলে শিলাস্তরের ক্রিয়া-বিক্রিয়ার ফলেই এইরকম বিশেষ গঠনের সৃষ্টি; কিন্তু আলোআঁধারি গুহায় গাইডের বলে চলা মহাভারতের কথা যেন মহাকালের ওপার হতে সেই শাশ্বত ইতিহাস জাগ্রত করে তোলে!টেরই পাইনি কখন ভেসে গেছি সেই অলক্ষ্য অতীতের ঈঙ্গিতে!

“শুধু সে দিনের একখানি সুর
চিরদিন ধরে বহু বহু দূর
কাঁদিয়া হৃদয় কররেছে বিধুর
মধুর করুণ তানে”

গুহা দেখার পর গাইড আমাদের নিয়ে এলেন লাখামণ্ডলের প্রধান শিবমন্দিরে।দ্বাদশ শতাব্দীতে নির্মিত এই মন্দির উত্তর ভারতীয় স্থাপত্যের এক বিশেষ নিদর্শন।মন্দিরের ভিতরে ও বাইরে অসংখ্য প্রস্তরমূর্তি এবং বিভিন্ন আকারের শিবলিঙ্গ। মন্দিরের ডানপাশে ভগ্নপ্রায় দুই প্রস্তরমূর্তি। পুরোহিত বলেন এঁরা হলেন বৈকুণ্ঠের দুই দ্বাররক্ষক – জয় ও বিজয়। আবার অনেকে মনে করেন গুহার প্রবেশদ্বারে এই দুই মূর্তি হল ভীম এবং অর্জুনের। মন্দির থেকে সামান্য এগিয়ে একটি স্বচ্ছ শিবলিঙ্গ দেখলাম, গ্রাফাইট নির্মিত এই শিবলিঙ্গের উপর জল ঢাললে এত চকচকে হয়ে ওঠে যে নিজের প্রতিবিম্বও আয়নার মতো স্পষ্ট দেখা যায়। পুরোহিত গল্প করেন, এই অঞ্চলটি হল ইতিহাসের খনি; পুরাতত্ত্ব বিভাগের খননকার্যে অনেক মন্দিরের ধংসাবশেষ পাওয়া গিয়েছে এখানে। কে জানে অতীত ইতিহাসের লুপ্ত ভাণ্ডারের আরও কত ঐশ্বর্য আজও মাটির নীচে আত্মগোপন করে আছে!

ছানি চুরানি ইকো রিসর্ট

ফেরার সময় গেলাম চক্রাতা-টিউনি হাইওয়ের পথে ২৬ কিলোমিটার দূরে বহু পুরোনো দেবদারুর জঙ্গল কানাসার। এখানে আছে ৬.৩৫ মিটার পরিধির একটি দেবদারু গাছ, যেটিকে এশিয়ার সবচেয়ে বড় এবং পুরোনো বলে ধরা হয়। আর ১৮ কিলোমিটার দূরের মেঘ ঘেরা পাহাড়ের মাঝে ‘ছানি চুরানি’ ইকো রিসর্টটি ঠিক যেন মেঘবালিকা হয়ে ওঠার যথার্থ ঠিকানা।

সাঙ্গ হল সফর। আগে ত বহুবার বহুস্থানে দেখেছি এই একই পাহাড়, গাছ, আকাশ, ঝর্ণা, মেঘ আর নদী – তবু এবার যেন সবকিছুই নতুন হয়ে ধরা দিল! শূন্যে মাথা তুলে দেওয়া আদিম দেবদারুদের ঘন বেষ্টনীর মধ্যেকার গোল আকাশ যেন আরও স্বচ্ছ নীল, এলোমলো বাতাসে প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নিতেও যেন কি অসীম তৃপ্তি, ভরপুর নৈঃশব্দের মাঝে পাহাড়ে পাহাড়ে প্রতিধ্বনিত হতে থাকা পাখিদের সুরেলা শিস্ যেন নতুন শোনা গান, পথের বাঁকে কাঠের বোঝা মাথায় সরল হাসিমুখের গ্রামবাসীরা যেন আমার কতজন্মের পরমাত্মীয়  – কে বদলে গেছে! পাহাড়! নাকি বন্দিজীবন আমার দেখার চোখটাকেই আমুল বদলে দিয়ে গেছে তাই ভাবতে ভাবতে হাওড়ামুখী ট্রেনে উঠে বসলাম।

জরুরী তথ্যঃ-

ট্রেন বা বিমানে দেহরাদুন গিয়ে বাস বা শেয়ার গাড়ীতে ঘণ্টা তিনেকে চক্রাতা পৌঁছে গাড়ীতে অথবা ট্রেক করেও যাওয়া যায় দেওবন ও টাইগার ফলস। অন্যান্য সব জায়গাতেই গাড়িতে পৌঁছানো যায়।

  • সামরিক বাহিনীর সংরক্ষিত স্থান বলে সচিত্র পরিচয়পত্র অবশ্যই সঙ্গে রাখা উচিত।
  • চক্রাতায় থাকার জায়গা সীমিত, তাই আগে থেকে বুকিং থাকা বাঞ্ছনীয়।
  • দেওবনের যাত্রীদের জল এবং খাবার সঙ্গে রাখাটা একান্ত অপরিহার্য কারণ এটি সম্পূর্ণ জনহীন বনাঞ্চল এবং পর্যটক সংখ্যা নিতান্ত সীমিত বলে এখানে কোন কিছু পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
  • চক্রাতায় শীতের আধিক্য আছে। নভেম্বরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারী অবধি বরফে ঢাকা থাকে গোটা অঞ্চল। তাই শীতে ভারি শীতবস্ত্র সঙ্গে থাকা জরুরী, আর অন্য সময়ে সোয়েটার, টুপি ও সানগ্লাসই যথেষ্ট ।

শ্যামাশ্রী দত্ত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *